রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৪

চিকিত্সা করলে ৭ দিন, না করলে ১ সপ্তাহ !

শীতের স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্যে প্রথমেই চলে আসে সাধারণ
ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশির কথা বা কমন কোল্ডের কথা।
শীতের শুরুতে এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এ রোগের
শুরুতে গলা ব্যথা করে, গলায় খুশ খুশ ভাব ও
শুকনা কাশি দেখা দেয়। নাক বন্ধ হয়ে যায়। নাক
দিয়ে অনবরত পানি ঝরতে থাকে এবং ঘন ঘন হাঁচি আসে।
হালকা জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা, শরীর ম্যাজ ম্যাজ
করা, দুর্বল লাগা ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়। এটা মূলত
শ্বাসতন্ত্রের ওপরের অংশের রোগ এবং সৌভাগ্য হল এই
রোগ এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। সৈয়দ মুজতবা আলীর
ভাষায়, চিকিত্সা করলে ৭ দিন, না করলে ১ সপ্তাহ।
তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাঁশি কয়েক সপ্তাহ
থাকতে পারে।
যদি প্রতিরোধের চেষ্টা সত্ত্বেও সর্দি-
কাশি দেখা দেয়, তবু প্রতিরোধের
উপায়গুলো চালিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে স্বাভাবিক
খাবারের পাশাপাশি প্যারাসিটামল
এবং এন্টিহিসটামিন জাতীয় ওষুধ খেলেই যথেষ্ঠ। এটা শুধু
রোগের তীব্রতাকে কমাবে না, রোগের বিস্তারও
কমাবে। প্রয়োজনে চিকিত্সকের শরণাপন্ন
হতে হবে এবং তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে হবে।
পাশাপাশি দেশজ ওষুধ যেমন- মধু, আদা, তুলসীপাতা,
কালিজিরা ইত্যাদি রোগের উপসর্গকে কমাতে সাহায্য
করবে।

শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৪

মনে রাখবে

"যে তোমার
কাছে অন্যের
নামে গীবত করল
মনে রেখ সে আবার
অন্যের
কাছে তোমার
নামে গীবত করবে"

মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৪

সকালে খালি পেটে পানি পান সম্পর্কিত

সকালে খালি পেটে পানি পান
সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই খালি পেটে পানি পান
করে থাকেন। কিন্তু এই পানি পান করা কি আসলেই
স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? ভালো হলে কেন ভালো?
কীভাবে উপকার পাওয়া যায় সকালে পানি পান করলে?
আর কতটুকুই বা পানি পান করতে হবে?
চিকিৎসকদের মতে সকালে ঘুম
থেকে উঠে খালি পেটে পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য
ভাল। প্রতিদিন সকালে অন্তত দুই থেকে চার গ্লাস
পানি খাওয়া উচিত। প্রথম দিকে এটা অনেক
বেশি মনে হলেও কিছুদিন
এভাবে পানি খেলে বিষয়টি সহজেই আয়ত্ত
হয়ে যাবে এবং উপকারিতাও টের পাওয়া যায়।
তবে সকালে পানি খাওয়ার পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু
না খাওয়াই ভাল। এ উপায়ের কোন পার্শ্ব
প্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি পরিপাক ক্রিয়ার জন্য ভীষণ
উপকারী।
কিন্তু কীভাবে উপকারে আসে এবং এর সুফল
কীভাবে পাওয়া যায়?
অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই
সকালে খালি পেটে পানি খেয়ে সুস্থ থাকার
পথে একধাপ এগিয়ে থাকা যায়।
সকালে খালি পেটে পানি কেবল পাকস্থলী পরিষ্কারই
নয়, আমাদের বিভিন্ন রোগের
ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।
প্রথমত, এ অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল
রাখতে সাহায্য করে। পরিপাক ক্রিয়া থেকে সঠিক
ভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে।
ভাল হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেক স্বাস্থ্য
সমস্যা সমাধানে উপকারে আসে। ফলে ওজনও
নিয়ন্ত্রণে থাকে।
দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখে। রক্ত
থেকে টক্সিন ও বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর
করতে সাহায্য করে। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়
এটি। এছাড়াও পানি নতুন রক্তকোষ এবং মাংস
পেশী তৈরির প্রক্রিয়াতেও সাহায্য করে।

মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৪

সুইসাইড

জাপানে "সি অফ ট্রি" নামে একটি বন আছে... যেখানে কিছুদূর
হাঁটলেই দেখতে পাবেন গাছ গুলোর ডালে মানুষের কঙ্কাল
ঝুলছে ...
প্রতি বছর এখানে প্রচুর মানুষ সুইসাইড করতে আসে... কেউ কেউ
অনেক দূর দেশ থেকে টাকা খরচ করে মরতে আসে। মানুষ
নিরিবিলিতে মারা যেতে পছন্দ করে।
মৃত্যুর জন্য এই জায়গাটি বেছে নেয় কেন জানেন? যেন কেউ
কখনো খুঁজে না পায়... মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী...
মনোবিজ্ঞানীরা এখন আমাদের বলছে প্রতিটি সুইসাইডের
রক্তে তিনটি জিনিস মিশে থাকে... ১- অভিমান ২ – হতাশা ৩–
আত্মবিশ্বাসের অভাব...
......পুলিশ সদর দপ্তরের হিসেব
অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বছর সুইসাইড করছে প্রায় দশ
হাজার ! অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন ২৭ জন !! এই টুকু
একটা দেশে প্রতি ঘণ্টায় ১ জনের বেশি সুইসাইড করছে !!! এত
অভিমানী কেন আমরা ?
একজন মানুষ সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিস করলেন। ফেরার সময়
মেয়ের জন্য জ্যামিতি বক্স কিনে আনলেন। রাতে খাবার
খেয়ে নাটক দেখলেন। ঘুমানোর আগে স্ত্রীর সাথে ছোট খাট
ঝগড়া হল। ঘণ্টা খানেক পর বিষ খেয়ে ফ্লোরে পরে আছে ...
......এই ব্যাপার গুলো কেন ঘটে ? মানুষ সাধারণত একটি বিশেষ
ঘটনায় সুইসাইড করে না। এই রোগটি সে তার ভেতরে অনেক দিন
থেকে লালন করে।
.....মানুষের অনুভূতি অনেক বেশি...মানুষ আত্মহত্যা করে...
পাখিরা কেন করে ? প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে ভারতের
একটি বিশেষ জায়গায় এক সাথে অনেক পাখি দলবদ্ধ
ভাবে সুইসাইড করে। এর ব্যাখ্যা কী আমি জানি না।
.....একজন আমাকে বলেছে , সেখানে এক সময় পাখিদের খাবার
ফুরিয়ে আসে... বাচ্চা পাখি গুলোকে বাঁচার সুযোগ
করে দিতেই বৃদ্ধ পাখিরা দলবদ্ধ ভাবে আত্মহত্যা করে।
এ নিয়ে বেশ কিছুদিন আগে আমি একটা গল্প লিখেছিলাম।
গল্পটি সিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত
একটি পাখি কে নিয়ে। মারাত্মক সব ডিলিউশন কী শুধু মানুষের
ক্ষেত্রেই হয় ?
স্কটল্যান্ডের ‘ ওভার টাউন’ ব্রীজের রহস্য কী ? প্রতি বছর শত
শত কুকুর এখানে এসে আত্মহত্যা করছে। তারা ব্রীজ
থেকে নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ছে... এই নিয়ে যথেষ্ট
গবেষণা হয়েছে... নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারছে না...
কুকুর কিংবা পাখিদের অভিমান- হতাশা বলে কিছু থাকতেই
পারে... এই নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নাই।
আমার চিন্তা মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে... এরা চাইলে এই
পৃথিবী ছিদ্র করে ছিদ্রের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে অন্য
পৃথিবীতে চলে যেতে পারে... এরা কষ্টকে কেমিস্ট্রির
বোতলে ঢুকিয়ে ল্যাবে গিয়ে গবেষণা করতে পারে...
.....
এরা বিশাল সাইজের হাতি দিয়ে সার্কাস খেলে... অজগর সাপ
হাতে নিয়া ঘুরে বেড়ায়..... মানুষের মত দেখতে রোবট মানুষ
বানায় !
যে রোবটের ভেতর ইমোশন থাকবে... ! কী আশ্চর্য !
প্রতিটা মানুষই একজন বিজ্ঞানী...আপনি চাইলেই দেখবেন
ক্ষুদ্র কিছু হলেও সৃষ্টি করতে পারবেন...
.....প্রতিটি মানুষ একজন লেখক...একজন গায়ক... একজন কবি...
একজন নেতা...( দেখবেন কেউ কেউ আছে যারা আপনার
প্রতিটি কথা অক্ষরে অক্ষরে মানছে ) ... একজন শিক্ষক একজন
সেবক ... আর... একজন অপ্রতিষ্ঠিত মেধাবী...
এই পৃথিবীতে আপনার উপস্থিতি আপনার মস্তিস্কের ব্যাবহার
অনেক বেশি প্রয়োজন...সেটা ব্যাবহার করুন...
.....অভিমান করে চলে যাবার জন্য আপনার জন্ম হয় নি...
সব থেকে বড় ব্যাপার কী জানেন ? একজন ধর্ষক , একজন মাতাল ,
ঘুষখোর , বেশ্যা এরা প্রত্যেকেই প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ
পাবে... ; আত্মহত্যা আপনাকে প্রায়শ্চিত্ত করার কোন সুযোগ
দিবে না...

হলদেটে দাঁত নিয়ে বিড়ম্বনাঃ

হলদেটে দাঁত কারই বা ভালো লাগে? ঝকঝকে সুন্দর
হাসি সকলেই পেতে চায়। আর তার জন্য চাই
ঝকঝকে সাদা দাঁত। কিন্তু দূষণ, আয়রন, ধূমপান, দাঁতের
সঠিক যত্নের অভাব ইত্যাদির কারণে দাঁত তার
ঝকঝকে সাদা রং হারাতে থাকে আর হয়ে পড়ে হলদেটে।
অনেক সময় দাঁতে পড়ে ছোপ ছোপ দাগ। দাঁত
সাদা করতে বা দাঁতের দাগ তুলতে অনেকেই শরণাপন্ন হন
ডাক্তারের। কিন্তু তা বেশ খরচসাপেক্ষ ব্যাপার। অথচ
আপনার ঘরেই থাকে এমন কিছু উপাদান, যা আপনার দাঁত
সাদা রাখতে সাহায্য করবে। জেনে নিন দাঁত
সাদা রাখতে সাহায্য করে এমন কিছু খাবার সম্পর্কে।
১. ফলঃ
ফল বিশেষ করে আপেল
এবং স্ট্রবেরিতে রয়েছে ম্যালিক অ্যাসিড যা দাঁত
সাদা করার একটি চমত্কার প্রাকৃতিক উপাদান। নিয়মিত
ফল খেলে দাঁতে সহজে দাগ পড়ে না বা হলদেটে হয় না।
২. সবজিঃ
গাজর, সবুজ শাক এবং ব্রকোলির মতো সবজি দাঁত
থেকে দাগ দূর করতে সাহায্য করে। সালাদে গাজর খান
নিয়মিত। এতে যেমন দাঁত ভালো থাকবে, তেমনি গাজর
থেকে পাবেন প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন তথা ভিটামিন
এ, যা আপনার চোখ, ত্বক ও চুল রাখবে সুস্থ।
৩. শুকনো ফলঃ
ড্রাই ফ্রুট বা শুকনো ফল যেমন কিশমিশ দাঁত
সাদা রাখতে সাহায্য করে।
পাশাপাশি চিনি ছাড়া চুয়িংগাম দাঁতের দাগ দূর করার
একটি চমত্কার উপায়।
৪. দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবারঃ
দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবারে রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে ক্যালসিয়াম যা দাঁতের জন্য খুবই জরুরি।
এছাড়া দুগ্ধজাত খাবার, যেমন দই এবং পনির দাঁতের
এনামেল বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৪

ক্যান্সারের ১০টি লক্ষণঃ

১. ফুসফুসে ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণই হলো শ্বাসকষ্ট।
যাদেরই এই রোগ হয় তারাই শুরুতে
বলেন, শ্বাস নিতে গিয়ে যেন বাতাসের অভাব বোধ
করছেন। অনেকে বিষয়টাকে হাঁপানির
সাথে গুলিয়ে ফেলেন!
২. কাশি আর ব্রঙ্কাইটিস- দুটিই লাং ক্যান্সার আর
লিউকেমিয়ার কমন ‘ফ্যাক্টর’। আবার সাধারণ
ব্রঙ্কাইটিস হলেও কাশি আর বুকে ব্যথা হয়। পার্থক্য
বুঝবেন কী করে? ব্রঙ্কাইটিসের কাশি আর
বুকে ব্যথা চিকিৎসায় সেরে যায়। যখনই তা সারে না,
বুঝবেন ব্যাপারটা অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে।
৩. লিউকোমিয়ায় রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ
অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় শরীর চট
করে সংক্রমণজনিত রোগে কাবু হয়ে পড়ে। যেমন, জ্বর, ফ্লু
বারবার হতে থাকে।
৪. খাবার গিলতে অসুবিধা হচ্ছে? লক্ষণটা সার্ভাইকাল
বা লাং ক্যান্সারের প্রথম ধাপ হলেও হতে পারে।
৫. শরীরের কোথাও আচমকা গ্ল্যান্ড
ফুলে যাওয়া লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম পরিবর্তনের ইঙ্গিত
দেয়। এটা ক্যান্সারের পূর্ব লক্ষণ হতেও পারে। যেমন
বগলের নিচে ব্যথাযুক্ত গ্ল্যান্ড দেখা দিলে ব্রেস্ট
ক্যান্সার,
কুঁচকি বা ঘাড়ে এরকমটা হলে লিউকেমিয়া হওয়ার
আশঙ্কা তৈরি হয়।
৬. কোনো আঘাত ছাড়াই
শরীরে কালশিরা বা কালশিটে দাগ
দেখা দেয়া লিউকেমিয়া-কেই মনে করায়।
সেইসঙ্গে মুখে, ঘাড়ে, বুকে লাল স্পট দেখা দিলে খুব
সহজভাবে নেবেন না ব্যাপারটাকে।
৭. পেটে ঘিনঘিনে ব্যথা মানেই ‘সিস্ট’
হয়েছে ভেবে উড়িয়ে দেবেন না। এই
ব্যথা যেকোনো ধরনের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ
হতে পারে।
৮. রেক্টাম দিয়ে বা মলের সঙ্গে রক্তপাত সাধারণত
কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ। তাই এরকম কিছু
হলে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৯. ডায়েটিং বা শরীরচর্চা ছাড়াই ওজন
কমে যাওয়া কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ নয় তো! কারণ, এই
রোগে খাওয়ার ইচ্ছে কমে যায়। ফলে বিনা কারণে ওজন
কমতে থাকে।
১০. আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ নখের রং পাল্টে যাওয়া।
অনেক রকমের ক্যান্সারেরই এটা প্রাথমিক লক্ষণ। যেমন,
নখে বাদামি বা কালো রেখা বা ছিটে দাগ ত্বকের
ক্যান্সারের কথাই বলে। আবার নখের রং বিবর্ণ
হলে বুঝতে হবে লিভার ঠিকঠাক কাজ করছে না।
এটা লিভার ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ l

মেদহীন পেট পাবার ৩টি ব্যায়ামঃ-

মাত্র তিনটি সহজ ব্যায়ামেই
পেটের মেদ কমিয়ে ফেলা সম্ভব।
শিখে নিন পেটের মেদ কমানোর সহজ ৩টি ব্যায়াম।
.
By--বিমূর্ত শাকির,
.
১) সাইকেল চালানো ব্যায়ামঃ-
এটা আসলে সত্যিকারি সাইকেল চালিয়ে ব্যায়াম
করা নয়। এই
ব্যায়ামটি করতে হলে আপনাকে
প্রথমে মেঝেতে শুয়ে পড়তে হবে।
এরপরে হাত দুটোকে মাথার
পিছনে নিতে হবে। এখন সাইকেল
যেভাবে পা দিয়ে প্যাডেল ঘুরিয়ে চালানো হয় ঠিক
তেমনি পা দুটোকে উপরে
উঠিয়ে সাইকেল চালান।
এক্ষেত্রে পা দুটোকে ৪৫
ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে উপরে
উঠিয়ে নিতে হবে। একটি পা যখন বুকের
উপরে আসবে তখন
আরেকটি পা মোজা উপরের
দিকে উঠানো থাকবে।
এভাবে রিভার্স
করে ব্যায়ামটি আধা ঘন্টা করতে হবে।
সপ্তাহে ৩ দিন এই
ব্যায়ামটি করলেই আপনি খুব
সহজেই পেতে পারেন
একটি মেদহীন
আকর্ষণীয় পেট। .
২) নৌকাসন ব্যায়ামঃ- নৌকাসন
ব্যায়ামটির সাথে নিশ্চয়ই
অনেকে পরিচিত। এটি সত্যিকার
অর্থে নৌকা চালানো নয়। এরজন্য
আপনাকে শুয়ে পড়তে হবে। হাত দুটোকে মাথার
উপরে সোজা করে ছড়িয়ে দিতে হবে।
পা দুটোকেও
সোজা ছড়িয়ে দিতে হবে।
এরপরে হাত পাগুলোকে
একইসাথে ৪৫ ডিগ্রি উঁচুতে তুলতে হবে আবার
তা নামিয়ে সোজা করতে হবে। হাত
পাগুলোকে যখন উপরে উঠাবেন
এটি দেখতে যেন অর্ধ চন্দ্রের
ন্যায়
হয়। এই ব্যায়ামে আপনার ভুঁড়ির উপরে চাপ পড়বে ফলে
আপনার পেট কমে যাবে।
.
৩) উঠাবসা ব্যায়ামঃ- পেটের
অতিরিক্ত
ভুঁড়ি কমিয়ে নিতে আপনি এই উঠাবসার ব্যায়ামটিও
করতে পারেন।
এটি খুবই সহজ একটি ব্যায়াম।
আপনি শুধু প্রতিদিন গুণে
গুণে ৫০
বার বসা এবং উঠা করুন। এতে পেটে চাপ পড়ে ফ্যাট
কমে যাবে।
পাশাপাশি আরেকটি ব্যায়াম
করা যেতে পারে সেটি হল
দুটি হাত
মাথার পিছনে দিয়ে শুয়ে কোমরের উপরের অংশটুকু
বারবার ৯০
ডিগ্রি উঠিয়ে বসুন আবার
শুয়ে পড়েন। এভাবে সপ্তাহে ৩ দিন
৪০ বার
করে করলে আপনি পেতে পারেন
একটি মেদহীন আকর্ষণীয় পেট।